স্ত্রীকে হত্যার পর বিচ্ছিন্ন মাথা ফ্রিজে রাখা রামানুজ পুলিশের গাড়ি থেকে লাফিয়ে নিহত
আসামের গৌহাটিতে স্ত্রীকে হত্যার পর ফ্রিজে মাথা রাখা আসামি রামানুজ গোস্বামী পুলিশের গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে মারা গেছেন। পড়ুন বিস্তারিত।
আন্তর্জাতিক: সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগত খামিস মুশাইত শহরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ কিং খালিদ বিমান ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের অব্যাহত বিমান হামলার জবাবে এই পাল্টা অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) হুথির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক জরুরি বিবৃতিতে এই হামলার বিষদ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘাঁটির হ্যাঙ্গার ও রানওয়ে লক্ষ্য করে ডজন ডজন হামলাহুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, কিং খালিদ বিমান ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো—যেমন হ্যাঙ্গার, রাডার ব্যবস্থা, রানওয়ে এবং প্রধান অস্ত্রভান্ডার লক্ষ্য করে ডজন ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ছোঁড়া হয়েছে। এই হামলায় ঘাঁটিটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও বিচ্ছিন্নে সৃষ্টি হয়েছে বলে হুথিরা দাবি করেছে।
তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে সৌদি সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। হামলা ও ইয়েমেন পরিস্থিতির সংক্ষেপ।
আক্রমণের লক্ষ্য সৌদি আরবের খামিস মুশাইত শহরের কিং খালিদ বিমান ঘাঁটি।
ব্যবহৃত অস্ত্র ডজন ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের যৌথ আক্রমণ।
ক্ষয়ক্ষতির দাবি রাডার, রানওয়ে, অস্ত্রভান্ডার ও বিমান হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত।
হামলার কারণ গত ৫ দিনে ইয়েমেনে সৌদি জোটের ৩০০টির বেশি বিমান হামলার জবাব।
সৌদিতে সতর্কতা ও হুথিদের নতুন হুমকিহামলার পর সৌদি সিভিল ডিফেন্স খামিস মুশাইত এলাকায় সাময়িক বিশেষ সতর্কতা জারি করে, তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানায়। স্থানীয় অধিবাসীদের নিরাপত্তাজনিত কারণে অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা ও ভিড় এড়িয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।হুথি সামরিক মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইয়েমেনের ভূখণ্ডে সৌদি জোট তাদের বিমান ও সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ না করলে সৌদি আরবের অভ্যন্তরে এই ধরণের হামলা আরও বহু গুণে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখলের পর থেকে সৌদি আরব সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চালিয়ে আসছে হুথিরা। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পুরো অঞ্চলে মধ্যপ্রাচ্যের নতুন করে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।