ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চ পর্যায়ের সামরিক নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর করতে অন্তর্বতীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ১৫ মাসের কঠোর পরিশ্রমের জন্য সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন নির্বাচন যেন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে,” সেজন্য তিনি তিন বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক বাহিনীর সব ধরনের প্রস্তুতির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি বিস্তারিত মোতায়েন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে:
- সেনাবাহিনী: ৯০ হাজার সেনাসদস্য (প্রতিটি উপজেলায় এক কোম্পানি সেনা)।
- নৌবাহিনী: আড়াই হাজারের মতো সদস্য।
- বিমানবাহিনী: কিছু সংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, “ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর করতে অন্তর্বতীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
এছাড়াও, তিন বাহিনীর প্রধানরা আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানান।