জাতীয় : অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে বরং অবনতি হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বাড়ায় অতিষ্ঠ মানুষ কোথাও কোথাও নিজেরাই পাহারার ব্যবস্থা করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে জনসংযোগকালে গুলি এবং রাজশাহীতে অটোরিকশাচালক হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়া, অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এবং ‘ক্রাউড কন্ট্রোল’ (ভিড় নিয়ন্ত্রণ) করতে গিয়ে হিমশিম খাওয়াই পরিস্থিতি অবনতির প্রধান কারণ। নিরুপায় পুলিশকে অনেক সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের ডাকতে হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন মাঠে থাকতে থাকতে তারা ক্লান্ত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। নির্বাচনের সময় মাঠে অন্তত এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে এবং সে জন্য সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
আর্টডক প্রধান লে. জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, নির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাবই সহিংসতা বাড়াচ্ছে।