পড়াশোনা অসমাপ্ত রাখার আক্ষেপ কারিনা কাপুরের, আসছে মেঘনা গুলজারের ‘দায়রা’
একাদশ শ্রেণির পর পড়াশোনা ছাড়ার আক্ষেপ রয়েছে কারিনা কাপুরের। দুই ছেলেকে নিয়ে নিজের ভাবনা এবং মেঘনা গুলজারের নতুন সিনেমা ‘দায়রা’ নিয়ে জানালেন অভিনেত্রী।
বিনোদন: বলিউড অভিনেত্রী তাপসী পান্নু তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত আগামী সিনেমা ‘গান্ধারী’ নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আজ নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। এর ঠিক আগমুহূর্তে সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড সিনেমার বদলে যাওয়া ধারা এবং কোন ধরনের কাজের সঙ্গে তিনি নিজেকে যুক্ত রাখতে চান—সে বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
২০১৫ সালের তুলনায় বর্তমান প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমার ধরন কতটা বদলে গেছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তাপসী জানান, তাঁর কেরিয়ারের শুরুর সময়টা বর্তমানের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। সেই সময়ে তাঁর মতো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বাইরের বা ‘আউটসাইডার’ অভিনেতারা তুলনামূলকভাবে বেশি কাজের সুযোগ পেতেন এবং বৈচিত্র্যময় গল্পের সিনেমা তৈরি হতো। স্পষ্টভাষী এই অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন যেমন ধরনের সিনেমা চলছে, সেই ধাঁচের ছবি তখন তৈরি হলে আমার মতো কারও পক্ষেই ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব হতো না।’
সম্প্রতি গত কয়েক মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত কিছু সিনেমা দেখার পর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করার কথা উল্লেখ করে মজার ছলে তিনি নিজেকেই প্রশ্ন করেছিলেন, তবে কি তাঁর এবার অবসর নেওয়ার সময় হয়ে গেছে? এর পরেই দৃঢ়তার সঙ্গে তাপসী জানান, গতানুগতিক বা নির্দিষ্ট কিছু মানের বাইরে গিয়ে খাপছাড়া ধরনের কিছু বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয় করার চেয়ে তিনি অভিনয় ছেড়ে দেওয়াকে অনেক বেশি শ্রেয় মনে করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি এ কথাও স্বীকার করেন যে, ওই ধরনের সিনেমারও একটি নির্দিষ্ট দর্শকশ্রেণি রয়েছে।
নিজের পছন্দ ও কাজের নীতি নিয়ে তাপসী বলেন, অভিনয়শিল্পকে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন ঠিকই, কিন্তু অন্ধভাবে সেই ভালোবাসার বশে কাজ পাওয়ার জন্য যেকোনো বা সব ধরনের ছবিতে তিনি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি নন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি আমার কাজকে ভালোবাসি। কিন্তু অন্ধভাবে কাজকে ভালোবাসি না যে, আমাকে যেকোনো মূল্যে এ ধরনের সিনেমায় অভিনয় করতেই হবে।’
ভবিষ্যতের কাজের মূল্যায়নের কথা বলতে গিয়ে এই অভিনেত্রী জানান, তিনি এমন সব কাজ করতে চান, যা বহু বছর পর পেছনে ফিরে তাকালেও তাঁর নিজের কাছে গর্বের মনে হবে। সময়ের সঙ্গে সিনেমার ধরন, ট্রেন্ড এবং দর্শকের রুচি বদলাতে পারে, কিন্তু একজন শিল্পীর ঝুলিতে থাকা কাজ ও ফিল্মোগ্রাফিই শেষ পর্যন্ত তাঁর পরিচয় হিসেবে থেকে যায়। তাই আগামী ১০ বছর পরও কেউ তাঁর কাজ দেখলে যাতে তিনি মাথা উঁচু করে গর্ববোধ করতে পারেন, সেটাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। যদিও সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি যশ ও কিয়ারা আডবাণী অভিনীত সদ্য আলোচিত সিনেমা ‘টক্সিক’-এর নাম নেননি, তবে তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে বলিপাড়ায় নানামুখী গুঞ্জন শুরু হয়েছে।