এমবাপ্পে-মেসিকে পেছনে ফেলে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন লামিন ইয়ামাল
রায়ো ভায়োকানোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে এমবাপ্পে ও মেসিকে পেছনে ফেলে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ক্লাব ফুটবলে ৫০ গোলের রেকর্ড গড়লেন বার্সেলোনা তারকা লামিন ইয়ামাল।
ক্রীড়া: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজকে কেন্দ্র করে ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটাঙ্গনে শুরু হয়েছিল তীব্র গুঞ্জন। বিশেষ করে সিরিজের শেষ ম্যাচটিই হতে পারে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ—এমন খবরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনাকে পাশ কাটিয়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ওপেনার।
ভারতীয় সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছিল, চলতি বছর ইংল্যান্ড সফরের সময় নির্বাচক কমিটি রোহিতকে জানিয়েছিল যে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তরুণ ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালদের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যৎ ওয়ানডে পরিকল্পনায় তাঁকে নাও রাখা হতে পারে। শুরুতে এই সিদ্ধান্তে রোহিত অসন্তুষ্ট হলেও পরবর্তীতে তিনি তা মেনে নেন। বিশেষ করে ১৯ জুলাই লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটিকে তাঁর বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে প্রচার করা হলে তা নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া দ্রুত সেই জল্পনা নাকচ করে দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, দলের বর্তমান পরিকল্পনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই রোহিত খেলছেন এবং যতদিন প্রয়োজন মনে করা হবে, ততদিন তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে যাবেন।
সব ধরনের চাপ ও আলোচনাকে পেছনে ফেলে লর্ডসের মাঠে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে সমালোচকদের মোক্ষম জবাব দেন ৩৯ বছর বয়সি রোহিত। তাঁর সেই নান্দনিক ইনিংসের পরই অবসর নিয়ে চলা আলোচনা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে যায়।
সম্প্রতি বিসিসিআইয়ের প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নিজের ভবিষ্যৎ ও গুঞ্জন নিয়ে প্রথমবারের মতো খোলামেলা কথা বলেছেন ভারত অধিনায়ক। রোহিত বলেন, ‘আমার কাজ হলো ব্যাট হাতে মাঠে নেমে দেশের এবং দলের প্রতিনিধিত্ব করা। অভিষেকের পর থেকেই আমাকে এই দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে, আর আমি সেটাই করে যাচ্ছি।’
বাইরের শোরগোল ও সমালোচনা নিয়ে যে তিনি মোটেও ভাবিত নন, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। রোহিতের ভাষায়, ‘আমার অভিষেকের সময় থেকেও এসব শোরগোল ছিল, এখনও আছে এবং আমি যতদিন খেলব, ততদিন থাকবে। তাই এগুলো খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো মাঠে আমি কী করছি এবং দলের সাফল্যে কতটা অবদান রাখতে পারছি।’