অবসরের গুঞ্জন উড়িয়ে ব্যাটেই জবাব দিলেন রোহিত শর্মা
ইংল্যান্ড সিরিজ ঘিরে তৈরি হওয়া অবসরের গুঞ্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সেঞ্চুরি করে সমালোচকদের দিলেন উপযুক্ত জবাব।
স্পোর্টস: বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্লাব ফুটবলে ফেরার পর কিছুদিন নিজের চেনা ছন্দে ছিলেন না বার্সেলোনার তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামাল। মৌসুমের শুরুতে তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে নানা আলোচনা হলেও রায়ো ভায়োকানোর বিপক্ষে এক দুর্দান্ত ম্যাচেই যেন সব সমালোচনার জবাব দিলেন এই স্প্যানিশ তারকা। জোড়া গোল করে কেবল বার্সেলোনাকে বড় জয়ই এনে দেননি, পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড।
গত সোমবার লা লিগায় রায়ো ভায়োকানোর বিপক্ষে ৫-২ গোলের বড় জয় পায় বার্সেলোনা। ম্যাচে বার্সার হয়ে জোড়া গোল করেন রাফিনহা ও লামিন ইয়ামাল, আর অপর গোলটি আসে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী ভুল থেকে। তবে ১৯ বছর বয়সি ইয়ামাল দুই গোল করে ম্যাচের পুরো আলো নিজের দিকে কেড়ে নেন। খেলার ২১তম মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর, ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে ৯০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করেন তিনি। এই দুই গোলের সুবাদে বার্সেলোনার জার্সিতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ইয়ামালের গোলসংখ্যা এখন ৫১টিতে পৌঁছেছে।
এই ৫১ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার পথে দুটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ইয়ামাল। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে ক্লাব ফুটবলে ৫০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার অবিস্মরণীয় কীর্তি এখন তাঁর দখলে। মাত্র ১৯ বছর ৪৯ দিন বয়সে এই রেকর্ড গড়লেন তিনি।
এর আগে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি ১৯ বছর ২৪১ দিন বয়সে ক্লাব ফুটবলে ৫০ গোল করেছিলেন। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড (২০ বছর ১৯৬ দিন)।
শুধু ইউরোপের শীর্ষ লিগেই নয়, কাতালান ক্লাব বার্সেলোনার সুদীর্ঘ ইতিহাসেও নতুন অধ্যায় লিখেছেন ইয়ামাল। ক্লাবটির হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে ৫০ গোল করার রেকর্ড এখন এককভাবে তাঁর দখলে। এর আগে ১৯৩৫ সালে জোসেপ এস্কোলা ২০ বছর ৩৫৬ দিন বয়সে বার্সার জার্সিতে ৫০ গোল করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন, যা দীর্ঘ ৯১ বছর ধরে অক্ষত ছিল। এমনকি বার্সেলোনার সর্বকালের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিরও ক্লাবটির হয়ে ৫০ গোল করতে ইয়ামালের চেয়ে বেশি বয়স লেগেছিল; মেসি ২১ বছর ১২০ দিন বয়সে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।
মেসি ও এস্কোলাকে পেছনে ফেলে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই এমন অনন্য কীর্তি গড়ে আধুনিক ফুটবলের এক নতুন বিস্ময় হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন লামিন ইয়ামাল।