রংপুর টেবিল টেনিস সংস্থা উন্মুক্ত র্যাঙ্কিং টুর্নামেন্ট
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোরে উন্মুক্ত র্যাঙ্কিং টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টে নড়াইলকে টপকে দাপট দেখাচ্ছে রংপুরের ৩২ জন টিটি খেলোয়াড়।
স্পোর্টস: অনবদ্য ফর্ম, নিয়মিত রান কিংবা ধারাবাহিক উইকেট—ভারতের বর্তমান টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য এগুলোও আর যথেষ্ট নয়। অধিনায়ক ও পেস আক্রমণের মূল কাণ্ডারি জসপ্রীত বুমরা ছাড়া একাদশে নির্দিষ্ট কোনো পজিশনে কারও জায়গাই শতভাগ নিশ্চিত বলা কঠিন। তারকা আর উদীয়মান প্রতিভাদের ভিড়ে ভারতের টি-টোয়েন্টি একাদশ নির্বাচন এখন যেকোনো অধিনায়ক ও কোচের জন্য মধুর এক সমস্যায় রূপ নিয়েছে।
আজ রোববার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরু হতে যাওয়ার মুহূর্তে ভারতীয় দলের ভেতরে পজিশনভিত্তিক তীব্র প্রতিযোগিতার চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ভারতের ওপেনিং পজিশনটি এই মুহূর্তের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। অভিষেক শর্মা, বৈভব সূর্যবংশী ও সঞ্জু স্যামসন—এই তিনজনের যে কেউ একাই দলের জয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হলেও, ওপেনিং কম্বিনেশনে সবাইকে জায়গা দেওয়া অসম্ভব।
অভিষেক শর্মা: গত দুই বছরে ভারতের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি ব্যাটার (কমপক্ষে ৫০০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮৭.২৪ স্ট্রাইক রেট, ৫৫ ইনিংসে ২ সেঞ্চুরি ও ১১টি ফিফটি)।
বৈভব সূর্যবংশী: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৮৯.২১ স্ট্রাইক রেট হাঁকানো ১৫ বছর বয়সী তরুণ সূর্যবংশী ইতিমধ্যে ক্রিকেট বিশ্বকে তটস্থ করে রেখেছেন, সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে হয়েছেন সিরিজসেরা।
সঞ্জু স্যামসন: ভারতকে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতানোর কারিগর (বাঁচামরার তিন ম্যাচে ৯৭*, ৮৯ ও ৮৯ রান)। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দুটি সেঞ্চুরির পরও তিনি নিয়মিত দলে জায়গা পাননি, তবে আফগানিস্তান সিরিজে ফিরেছেন।
অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত) ও তিন নম্বর পজিশনের উইকেটকিপার-ব্যাটার ইশান কিষাণ ছাড়াও দলে একাধিক বিশ্বমানের অলরাউন্ডার রয়েছেন।
স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার ➔ অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর
VS
পেস বোলিং অলরাউন্ডার ➔ নীতীশ কুমার ও শিবম দুবে
পিচ ও কন্ডিশনের ওপর ভিত্তি করে এই চারজনের মধ্যে সর্বোচ্চ দুজন সুযোগ পেতে পারেন, যা দলের মূল একাদশ নির্বাচনকে কন্ডিশন-নির্ভর করে তুলেছে।
পেস আক্রমণে জসপ্রীত বুমরার সঙ্গে বাঁহাতি অর্শদীপ সিং এবং স্পিন বিভাগে বরুণ চক্রবর্তীর ওপর নিয়মিত ভরসা রাখছে ব্যবস্থাপনা। তবে হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের পছন্দের তৃতীয় পেসার হর্ষিত রানা চোটে থাকায় ৮ নম্বর পজিশন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ৮ নম্বরে বিশেষজ্ঞ বোলার নামানো হবে নাকি ব্যাটিং অলরাউন্ডার খেলানো হবে, তা নিয়ে কাটছে না উৎকণ্ঠা।
সব মিলিয়ে বিগত ম্যাচের সেরা পারফর্ম্যান্সও এখন ভারতীয় দলে সুনির্দিষ্ট জায়গার নিশ্চয়তা দিচ্ছে না; প্রতিটি ম্যাচের কন্ডিশন অনুযায়ী দল সাজানোই নতুন নীতিতে রূপ নিয়েছে।