ব্রাজিলে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ টিভি বিতর্কে মুখোমুখি লুলা ও বলসোনারো
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত রান-অফ ভোটের আগে মুখোমুখি শেষ টিভি বিতর্কে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও ফ্লাভিও বলসোনারো।
স্পোর্টস: তিনি ছিলেন ক্রিকেট পিচের সবচেয়ে বড় জাদুকর। সর্বকালের সেরা লেগ স্পিনার, আবার অনেকের চোখে ইতিহাসের সেরা স্পিন উইজার্ড। ২০২২ সালে মাত্র ৫২ বছর বয়সে পৃথিবী ত্যাগ করা অস্ট্রেলিয়ান লেগ-স্পিন কিংবদন্তি শেন ওয়ার্নের আজ ৫৭তম জন্মতিথি।
ক্রিকেট মাঠে তাঁর স্পিনের বিষাক্ত ঘূর্ণি যেমন বিশ্বসেরা ব্যাটারদের কাঁপিয়ে দিত, তেমনি মাঠের বাইরে তাঁর জীবনযাত্রা ছিল যেন কোনো হলিউড সুপারস্টার বা রকস্টারের মতোই রঙিন ও বর্ণাঢ্য। নিজের সততা আর অকপট বক্তব্যের জন্য পরিচিত ওয়ার্ন তাঁর আত্মজীবনী ‘নো স্পিন’-এ জীবনের কোনো অধ্যায়ই আড়াল করেননি—শৈশব, ‘বল অব দ্য সেঞ্চুরি’ (মাইক গ্যাটিংকে করা বিখ্যাত সেই ডেলিভারি), ঐতিহাসিক ৭০০তম টেস্ট উইকেট গ্রহণ কিংবা মেগা তারকা এলিজাবেথ হার্লির সঙ্গে বহুল আলোচিত সম্পর্ক।
কিংবদন্তির জন্মদিনে তাঁর আত্মজীবনী ‘নো স্পিন’ এর শেষ অধ্যায় ‘সিম্পলি দ্য বেস্ট’ থেকে নিজের জীবন নিয়ে শেন ওয়ার্নের কিছু অকপট স্বীকারোক্তি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
“আমার জীবনটা মন্দ কাটেনি। লড়াই করেছি, আনন্দ করেছি—সব মিলিয়ে বেশ কেটেছে।
ভাই জেসন আর আমি কোনো রাজকীয় পরিবারে জন্মাইনি। তবে আমাদের বাবা-মা কখনো কোনো কিছুর অভাব বোধ করতে দেননি। একদম ছোটবেলা থেকেই ভদ্রতা এবং একটি সুন্দর ও অর্থবহ জীবনযাপনের আসল মূল্য আমাদের শিখিয়েছেন।
এই বইয়ে আমি চেষ্টা করেছি নিজের জীবনের গল্পগুলো একদম সৎভাবে তুলে ধরতে। আশা করি, পাঠকেরা এর মাধ্যমে আমার আসল জীবনের কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন। আমি সচেতনভাবে কখনো কারও দুর্দশা বা যন্ত্রণার কারণ হইনি। তবে হ্যাঁ, আমি আনন্দ ও মজা করতে ভালোবাসি। কারণ জীবন তো আর কোনো নাটকের রিহার্সাল নয়, জীবন একটাই!”
শেন ওয়ার্ন ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ – ৪ মার্চ ২০২২ অস্ট্রেলিয়া দল ১৪৫ টেস্টে ৭০৮ উইকেট | ১৯৪ ওয়ানডেতে ২৯৩ উইকেট
নিজের আত্মজীবনীতে ওয়ার্ন শুধু নিজের জীবনের উত্থান-পতনই তুলে ধরেননি, বেছে নিয়েছেন তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে প্রতিপক্ষ ও সতীর্থ হিসেবে খেলা সর্বকালের সেরা একাদশও। ওয়ার্নের চোখে প্রতিপক্ষ হিসেবে শচীন টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারা ছিলেন সর্বকালের সেরা দুই ব্যাটার, আর অধিনায়ক হিসেবে স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস ও অ্যালান বর্ডারকে তিনি সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন।
আজকের এই দিনে ক্রিকেটবিশ্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সেই স্পিন মাস্টারকে, যিনি লাল বলের শিল্পকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছিলেন।