বৃষ্টিতে ভেসে গেল পাকিস্তান-হংকং ম্যাচ, সেমিফাইনালে পাকিস্তান
এশিয়ান গেমস ২০২৬-এর পুরুষ ক্রিকেটে বৃষ্টির কারণে পাকিস্তান ও হংকংয়ের কোয়ার্টার ফাইনাল পরিত্যক্ত হয়েছে। উচ্চতর আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে সেমিফাইনালে উঠেছে পাকিস্তান।
ক্রীড়া: ওয়ানডে ক্রিকেটের ৫৫ বছরের ইতিহাসে এমন দিন আর আসেনি। একই দিনে তিনটি ম্যাচে ছয় ব্যাটার সেঞ্চুরি করেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনটি ভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত তিনটি ওয়ানডেতে মোট ছয়টি শতকের দেখা মিলেছে। পুরুষদের ওয়ানডে ক্রিকেটে এক দিনে এতগুলো সেঞ্চুরির নজির এটাই প্রথম বলে জানিয়েছে ক্রিকইনফো।
তিন ম্যাচের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার ম্যাচে এই ছয় সেঞ্চুরি এসেছে।
তিরুবনন্তপুরমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ২৯৫ রান সংগ্রহ করে ভারত। দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেন জাস্টিন গ্রিভস। ১০৮ বলে ১০১ রান করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ওপেনার।
জবাবে ভারত মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে ৪২তম ওভারেই ২৯৬ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয়। দলের হয়ে সেঞ্চুরি করেন বিরাট কোহলি ও শুভমান গিল।
কোহলি ৮৮ বলে অপরাজিত ১৩৯ রান করেন। এই ইনিংসের পথে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন তিনি। ওয়ানডেতে দ্রুততম সময়ে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর রেকর্ড গড়েন ভারতের এই ব্যাটার।
অন্যদিকে শুভমান গিল ১০৮ বলে করেন ১১০ রান। দুই ভারতীয় ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক দল।
জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসেও দেখা যায় জোড়া সেঞ্চুরি। ডেভিড মিলার ৯৩ বলে ১৪২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ১১৬ বলে করেন ১০৩ রান।
দুই ব্যাটারের সেঞ্চুরিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে ৩৬৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে।
জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৩৩৩ রান পর্যন্ত যেতে পারে। দলের দুই ওপেনার মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড দুজনই ৮৪ রান করে করেন। তাঁরা সেঞ্চুরি করতে পারলে একই দিনে সেঞ্চুরির সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তা হয়নি।
লন্ডনের ওভালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে একমাত্র সেঞ্চুরি করেন টম ব্যান্টন। ১০৫ বলে ১২৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।
ব্যান্টনের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড ৩৫৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। জবাবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি। মাত্র ১৩২ রানে অলআউট হয় দলটি। শ্রীলঙ্কার কোনো ব্যাটারই ফিফটির দেখা পাননি।
তিন ম্যাচে ছয় সেঞ্চুরির হিসাবটি দাঁড়ায়।
জাস্টিন গ্রিভস: ১০১।
বিরাট কোহলি: অপরাজিত ১৩৯।
শুভমান গিল: ১১০।
ডেভিড মিলার: ১৪২।
টেম্বা বাভুমা: ১০৩।
টম ব্যান্টন: ১২৬।
ওয়ানডে ক্রিকেটের দীর্ঘ ইতিহাসে একই দিনে তিনটি ম্যাচে ছয়টি সেঞ্চুরি আগে কখনো দেখা যায়নি। ফলে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ওয়ানডে ক্রিকেটের রেকর্ডবুকে আলাদা একটি দিন হয়ে থাকল।