ঢাকা: প্রেম বা ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়স, ধর্ম বা কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা কোনো বাধা নয়। যদি মনের সঙ্গে মনের গভীর সংযোগ ঘটে, তবে বয়সের ব্যবধান ২০ থেকে ৩০ বছর হলেও সম্পর্ক এগিয়ে চলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে। যদিও সাধারণত সমবয়সীদের মধ্যে প্রেম বেশি দেখা যায়, তবুও অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় তরুণী নারীরা এমন একজন পুরুষকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছেন, যিনি তাঁদের চেয়ে বয়সে অনেক প্রবীণ।
সমবয়সী সঙ্গী পাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন একজন তরুণী একজন বয়স্ক পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন, চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই কারণগুলো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স্ক পুরুষের প্রতি তরুণীদের আকৃষ্ট হওয়ার পেছনে একাধিক মনস্তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক কারণ কাজ করে:
বয়স্ক পুরুষের মধ্যে যে পরিপক্বতা থাকে, সেটাই আকর্ষণের সবচেয়ে বড় কারণ। তরুণ ছেলেদের মধ্যে প্রায়শই এই ম্যাচিওরিটির অভাব চোখে পড়ে। অন্যদিকে, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের পরিপক্বতা সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়।
বয়স্কদের প্রেম হয় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত। তাঁরা যা প্রকাশ করেন, তা বাস্তবতা মেনে চলে। ফলে তাঁরা নেতিবাচক দিক এড়িয়ে চলতে পারেন এবং সম্পর্কও তুলনামূলকভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
বয়স্ক পুরুষরা সাধারণত যেকোনো পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। মেয়েরা এমন সঙ্গী পছন্দ করেন, যিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে বিরক্ত না হয়ে নিজেকে মানিয়ে নেন।
তরুণীরা মনে করেন, বয়স্ক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ালে বা বিয়ে করলে সেই সম্পর্ক সহজে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এই পুরুষরা নিজেরাই জীবন থেকে একাধিক প্রেম বা বিয়ে না করে স্থিতিশীলতা চান, যা তরুণীকে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস দেয়।
বয়স্ক পুরুষরা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে সব বিষয়ে বুঝে-শুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত যুক্তিবাদী হয় এবং ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকে, যা তরুণীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে দেখেন।
প্রেমের পরিসীমা যে অফুরন্ত, সেই বার্তাই দেয় এমন অসমবয়সী সম্পর্কগুলো। যেখানে দুজন মানুষের মনের মিলই প্রধান হয়ে দাঁড়ায়, বাকি সব কিছু গৌণ।