তরুণ উদ্যোক্তাদের বিকাশে ঢাবিতে বিশেষ আয়োজন, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তি, নতুন নতুন ব্যবসায়িক আইডিয়া ও সৃজনশীল মেধাকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে বিশেষ এক…
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন কক্ষের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। সংসদ অধিবেশন চলাকালে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা উঠলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিজের সরকারি বাসভবনের বেহাল দশা তুলে ধরেন স্বয়ং ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
তিনি আক্ষেপের সুরে জানান, বৃষ্টির দিনে তাঁর নিজের সরকারি বাসভবনের শোবার ঘরেও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। আর সেই পানি ঠেকাতে মেঝেতে বাটি পেতে রাখতে হয়।
সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি প্রথম সংসদের নজরে আনেন হুইপ জি কে গউছ।
ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে এই মহান সংসদে নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মতো নানা অনুষ্ঠান হলেও মূল রক্ষণাবেক্ষণে নজর দেওয়া হয়নি। যে ফোরামে সংসদ সদস্যরা আইন প্রণয়ন করছেন, ঠিক তার ওপরের তলাতেই রয়েছে মসজিদ। সেখানে সংসদ সদস্যরা জামাতে নামাজ আদায় করেন। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, ছাদ ফেটে অনবরত পানি পড়ার কারণে মসজিদের ভেতর এখন সারিবদ্ধভাবে বালতি দিয়ে রাখা হয়েছে।
হুইপ গউছ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যে সংসদে দাঁড়িয়ে আমরা ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট পাস করলাম, সেখানে পবিত্র মসজিদের এই জরাজীর্ণ দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।” অবিলম্বে ছাদ সংস্কারের জন্য তিনি জোর দাবি জানান।
জবাবে ডেপুটি স্পিকার দুঃখ প্রকাশ করে রসিকতার ছলে বলেন, “সংসদের ছাদ থেকে পানি পড়ার খবর আমরাও পেয়েছি। কিন্তু কষ্টের কথা কাকে বলব? আমি যে সরকারি বাড়িতে থাকি, সেখানে ঘুমাতে গেলেও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। মেঝেতে বাটি পেতে সেই পানি আটকাতে হয় আমাকেও।” ডেপুটি স্পিকারের এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে হাসির রোল পড়ে।
পরে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন চিফ হুইপ। তিনি জানান, সংসদ ভবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং গণপূর্ত বিভাগ সংস্কার কাজ শুরু করেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এরপর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, চিফ হুইপের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পরপরই মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবনের ছাদ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং খুব শিগগিরই এর স্থায়ী সমাধান হবে।