কুমিল্লায় বাস খাদে পড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের ২৪ শিক্ষার্থী আহত
কক্সবাজারে যাওয়ার পথে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাস উল্টে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ২৪ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিজস্ব প্রতিবেদক: কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে হেফাজতে নেয় ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতে বিচারাধীন একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। পল্লবী থানার চাহিদার ভিত্তিতে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরবর্তীতে তাকে থানা হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ মোট ৩৫টি মামলা চলমান রয়েছে। সবকটি মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন মেলায় তিনি কারামুক্ত হতে পেরেছিলেন। তবে মুক্তির কিছুদিন যেতে না যেতেই নতুন করে পরোয়ানায় ফের পুলিশের জালে ধরা পড়তে হলো তাকে।
সাহেদের প্রতারণার ইতিহাস প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২০ সালের ৭ জুলাই, যখন উত্তরায় তার মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখান থেকে পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেওয়ার প্রমাণ জব্দ করা হয়। ওই ঘটনায় র্যাব বাদী হয়ে সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে গেলেও ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা থেকে অবৈধ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর সাহেদের বিরুদ্ধে একের পর এক প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা সামনে আসতে থাকে। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের একটি মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ২০১০ সালের একটি চেক জালিয়াতি মামলায় তার ছয় মাসের সাজা হয়েছিল। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় সিআইডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাহেদ সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে ১১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন।