বরিশালে মা ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতা সভা।
মা ইলিশ রক্ষা ও টেকসই মৎস্য সম্পদ সুনিশ্চিত করতে বরিশালে বিভাগীয় জনসচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান।
মো: জিয়াউদ্দিন বাবু
গত ১৮/০৮/২৬ তারিখ দুপুরে বরিশাল বাটার খাল গণপূর্ত অফিসে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম এবং যুবদল নেতা আশরাফুল ইসলাম মাহফুজের সাথে ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম এবং ঠিকাদার ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আশ্রাফুল ইসলাম মাহফুজ পরস্পরকে দায়ী করে বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গণপূর্ত অফিসে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে নানান হুমকি দেন মাহফুজ। একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দিকে তেড়ে যান। ওই কক্ষে তখন আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তারা মাহফুজকে নিবৃত্ত করেন।
গণপূর্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম জানান, বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ১৫ লাখ টাকার একটি সংস্কার কাজ দরপত্র প্রতিযোগিতায় মোস্তাকিন বিল্ডার্স নামে প্রতিষ্ঠান পেয়েছে, যে কাজটি করাচ্ছেন মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম তিনি একজন ছাত্রলীগের সদস্য। উক্ত কাজের টেন্ডার ছাড়াই গণপূর্ত নির্বাহী কৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমের মাধ্যমে কাজটি পরিচালনা করতেছেন পরবর্তীতে টেন্ডারের সময় কাজটি মুস্তাকিম বিল্ডার এর নামে সংযুক্ত করে দেবেন।
যানা যায় যুবদল নেতা মাহফুজ গত ২৯ এপ্রিল দরপত্র প্রতিযোগিতায় তিনি শেবাচিম হাসপাতালের ৩য় ও ৪র্থ তলায় ১৫ লাখ টাকার একটি সংস্কারকাজ পেয়েছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত তাঁকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ওই কাজটি আগেই আরেক ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। ওই ঠিকাদার অর্ধেক কাজ করে পুরো বিল তুলে নিয়েছেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী চেষ্টা করেছিলেন দরপত্র দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় তিনি (মাহফুজ) সর্বনিম্ন দরদাতা হয়ে যাওয়ায় নির্বাহী প্রকৌশলী বিপাকে পড়ে কার্যাদেশ দিতে টালবাহানা করছিলেন। উপরোক্ত বিষয় নিয়ে গত ১৮ তারিখ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম ও যুবলীগ নেতা মাহফুজের সাথে গণপূর্ত অফিসে তর্কাতর্কি এবং দলাদলি হয়। মাহফুজ বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী একজন আওয়ামী লীগের দোসর এবং তিনি মুজিব কোট ও গলায় নৌকা পড়ে ইতিপূর্বে বিভিন্ন মিছিল মিটিং সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বিএনপি নেতা উভয় পক্ষই একে অপরকে আক্রমণাত্মক দোষারোপ করছেন বলে জানা গেছে।