ইউএস ওপেনে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা: কোর্টে গাঁজার তীব্র গন্ধে ম্যাচ থামাতে হলো সাবালেঙ্কাকে
ইউএস ওপেনের ম্যাচে কোর্টে গাঁজার তীব্র গন্ধ পাওয়ার কারণে খেলা থামিয়ে আম্পায়ারকে অভিযোগ জানান বিশ্বসেরা টেনিস তারকা আরিনা সাবালেঙ্কা।
আন্তর্জাতিক:মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য ডেলিয়া রামিরেজ। বিদেশে মার্কিন অস্ত্রের ব্যবহার এবং ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় রামিরেজ বলেন, ফিলিস্তিন থেকে ইরান পর্যন্ত মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারের কারণে নিরীহ নারী ও শিশুরা নিহত হচ্ছে। তিনি এ পরিস্থিতির জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কঠোর সমালোচনা করেন।
রামিরেজ কংগ্রেসকে যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ট্রাম্প ও হেগসেথের কর্মকাণ্ডের প্রতি ‘চোখ বন্ধ না করে’ কংগ্রেসের সাংবিধানিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের দাবি তোলেন তিনি।
এ জন্য তাঁর সমর্থিত ‘ব্লক দ্য বোম্বস অ্যাক্ট’ পাস করার আহ্বান জানিয়েছেন রামিরেজ। তাঁর বক্তব্য, আইনটি পাস হলে মার্কিন কংগ্রেস অস্ত্র হস্তান্তরের ওপর আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ‘অশেষ যুদ্ধ’ বন্ধের পথে এগোনো সম্ভব হবে।
রামিরেজ এর আগেও মার্কিন অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন। তাঁর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ‘ব্লক দ্য বোম্বস অ্যাক্ট’ মূলত ইসরায়েলের কাছে কিছু আক্রমণাত্মক মার্কিন অস্ত্র হস্তান্তর বন্ধ বা শর্তযুক্ত করার প্রস্তাব দেয় এবং মার্কিন ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়ে কংগ্রেসের নজরদারি জোরদারের কথা বলে।
ইরান প্রসঙ্গে রামিরেজের সমালোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতও নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনী ইরানে হামলা চালিয়েছে এবং এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
তবে ট্রাম্প ও হেগসেথের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগটি রামিরেজের রাজনৈতিক বক্তব্য ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে; এটিকে কোনো আদালতের রায় বা প্রতিষ্ঠিত আইনি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
রামিরেজের আহ্বানের মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।