চায়নিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে হকি এশিয়া কাপে দুর্দান্ত সূচনা বাংলাদেশ নারী দল
মেয়েদের হকি জুনিয়র এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল।
খেলাধুলা: চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের জয়রথ অবশেষে থেমে গেল। কিলিয়ান এমবাপ্পের শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি মিসের খেসারত দিয়ে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে জোসে মরিনিয়োর দল। এর মাধ্যমে পর্তুগিজ কোচ মরিনিয়োর রিয়ালে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেল লস ব্লাঙ্কোসরা।
ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় আলোচনা তৈরি হয়েছে ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এসে এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসকে কেন্দ্র করে। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৯৫ মিনিটে) এমবাপ্পের নেওয়া স্পটকিক দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। এরপর ফিরতি বলও ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন ডিফেন্ডার মার্ক বার্ত্রা।
এমবাপ্পের শট নেওয়ার আগেই বার্ত্রা পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন—এমন দাবিতে গোলটি পুনরায় নেওয়ার জোরালো দাবি তোলেন রিয়াল সমর্থকরা। তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বার্ত্রা বক্সে আগে ঢুকলেও এমবাপ্পে যখন শট নেন, তখন বার্ত্রার পা মাটিতে ছিল না। আর সেই নিয়মের মারপ্যাঁচেই বেঁচে যান বেতিসের ডিফেন্ডার। ভিএআর পরীক্ষা করে রেফারিও পেনাল্টিটি পুনরায় না নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।
লা লিগায় ম্যাচে সমতায় থাকা কিংবা এক গোলে পিছিয়ে থাকার সময় শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি মিস করার তালিকায় এমবাপ্পে যুক্ত করলেন তাঁর নাম। এর আগে আলফ্রেড ডি স্টেফানো (১৯৫৫ ও ১৯৫৮), পল ব্রেইটনার (১৯৭৪), রাউল গঞ্জালেস (২০০০) এবং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের (২০০৬) মতো কিংবদন্তিরাও রিয়ালের হয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পেনাল্টি মিসের হতাশায় ভুগেছিলেন।
পুরো ম্যাচে গোলের সুযোগের কমতি ছিল না রিয়ালের। প্রথমার্ধেই ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। চলতি মৌসুমে এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো রিয়ালের খেলোয়াড়দের শট বারে লেগে ফিরেছে। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কার্লোস এস্পি বাইসাইকেল কিকে বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সুবাদে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। অন্যদিকে, ম্যাচের ৮১ মিনিটে থিবো কোর্তোয়া নেলসন দেওসার হেড ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল থেকে বিজয়েরসূচক গোলটি আদায় করে নেন বেতিসের ট্রয় পারট।
ম্যাচ শেষে রেফারিং বা হার নিয়ে খুব একটা অসন্তোষ প্রকাশ না করে কোচ জোসে মরিনিয়ো বলেন, ‘দল দারুণ খেলেছে। কিছু ম্যাচ এমন হয়, যার কোনো ব্যাখ্যা থাকে না। ম্যাচে আমাদের আধিক্য ও সুযোগ দুটোই বেশি ছিল। হারার কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছি না, তবে জেনেশুনেও পয়েন্ট হারাতে হলো।’ ম্যাচ চলাকালীন ডাগআউটে অতিরিক্ত প্রতিবাদের কারণে রিয়ালে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর প্রথম হলুদ কার্ডও দেখতে হয়েছে এই অভিজ্ঞ কোচকে।
এই হারে ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা বার্সেলোনা অবশ্য ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমে নিজেদের ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।