শাপলা চত্বর মামলা অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ নভেম্বর
শাপলা চত্বরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ১ নভেম্বর নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
ঢাকা: আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মোট টানা পাঁচ দিনের দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে।
২০ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি।
২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি।
২২ অক্টোবর নতুন করে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ২২ অক্টোবরের কর্মদিবসে ছুটি ঘোষণা করা হলো। এছাড়া ২৩ ও শুক্রবার এবং ২৪ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৫ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।
টানা এই ছুটির কারণে কাজের যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য ছুটির বিকল্প হিসেবে আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটির আওতার বাইরে থাকবে জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো। এর মধ্যে রয়েছে—
বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সেবা।
ফায়ার সার্ভিস, বন্দর ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
টেলিফোন, ইন্টারনেট এবং ডাক সেবা এবং এগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা।
হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহন।
এছাড়া জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও প্রয়োজন সাপেক্ষে খোলা থাকবে। ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। অন্যদিকে, বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পৃথক নির্দেশনা জারি করবে।