‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ তত্ত্ব ও বাস্তবতার খতিয়ান
বর্তমান সরকারের অর্থ উপদেষ্টার ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পালের বিশদ বিশ্লেষণ ও মতামত।
অর্থনীতি ডেস্ক : বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। সোমবার মার্কিন স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৪,৬৯০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সাথে রুপার দামও ৯৪.১২ ডলারের নতুন রেকর্ড গড়েছে। গ্রিনল্যান্ড কেনা নিয়ে বিরোধিতার জেরে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ঘোষণাই এই অস্থিরতার মূল কারণ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাণিজ্য উত্তেজনার ফলে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে স্বর্ণ ও রুপার দিকে ঝুঁকছেন। দেশের বাজারে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ভরিপ্রতি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন দামের প্রভাবে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের অর্থ উপদেষ্টার ‘ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি’ দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পালের বিশদ বিশ্লেষণ ও মতামত।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়লেও দেশের বিনিয়োগ স্থবিরতা, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
গত দুই বছরে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ রয়েছে বাংলাদেশের।
ঢাকা-কলকাতা ও নিউ জলপাইগুড়ি রুটের বন্ধ থাকা মৈত্রী, মিতালী ও বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর বিষয়ে আগামীকাল ঢাকায় শুরু হচ্ছে দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের বৈঠক।
প্রবাসীদের রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত। চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা অর্জন।
দেশের বাজারে টানা তিন দফা কমার পর ভরিতে ৫ হাজার ৪৪২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস। এখন প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা।
বিশ্বরাজনীতির পটপরিবর্তনে বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষ বিশ্লেষণ।
নওগাঁয় আমন মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রতি বস্তায় ৪০০-৫০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ক্ষুব্ধ কৃষকদের পাশে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনের।
