জয়ন্তী নদী সেতু শরীয়তপুর বরিশাল এলজিইডি
শরীয়তপুর ও বরিশালের সংযোগস্থল জয়ন্তী নদীতে সেতু না থাকায় চরম ভোগান্তিতে লাখো মানুষ। ১,৩৯২ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
অর্থনীতি ও ব্যাংক-বীমা: রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের সঙ্গে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এতে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর অন্তত ২৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
পরে খবর পেয়ে মতিঝিল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঁদানে গ্যাস ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দু-পক্ষকে হটিয়ে দিয়ে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নিতে যান। অন্যদিকে, একই স্থানে পূর্বে ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করছিলেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সংঘর্ষের চিত্র:
স্থান ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার, দিলকুশা, মতিঝিল, ঢাকা
সময় আজ সোমবার সকাল (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
পক্ষসমূহ সচেতন গ্রাহক ফোরাম VS এস আলমের মেয়াদে নিয়োগপ্রাপ্ত চাকরিচ্যুত কর্মী
হতাহত অন্তত ২৫ জন আহত (ফোরামের সহসভাপতি মোতাছিম বিল্লাহসহ)
ঘটনার পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ জানায়, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন এবং বিতর্কিত ব্যাংক লুটেরা এস আলমের অশুভ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদেই এই শান্তি সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল।
ফোরামের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সমাবেশ শুরু হওয়ার পরপরই পূর্বে থেকে ওত পেতে থাকা ‘অবৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত এস আলমের দোসর’ চাকরিচ্যুত কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের ওপর অর্তকিত ও পরিকল্পিত হামলা চালায়।
এই হামলায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী মোতাছিম বিল্লাহসহ অন্তত ২৫ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে মতিঝিল বিভাগের পুলিশ উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, “দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে মারামারি শুরু হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বর্তমানে দিলকুশা ও ব্যাংক এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।”
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে।