ডলারের দাম বেড়ে ১২৩ টাকা ৩ পয়সা
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের গড় দাম বেড়ে ১২৩ টাকা ৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। পাউন্ড, রুপি, ইউয়ান ও সিঙ্গাপুরি ডলারের দামও বেড়েছে।
অর্থনীতি: টানা দুই দিন দাম কমার পর দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ভালো মানের সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বাড়ায় দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামাও স্থানীয় দরে প্রভাব ফেলেছে। রুপার দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
সোনার দাম এর আগে টানা তিন দফায় কমানো হয়েছিল। ২৬ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর কমে ২ হাজার ১৫৮ টাকা এবং ২৯ সেপ্টেম্বর আরও ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়। তিন দফায় মোট ৬ হাজার ৬৫ টাকা কমার পর বুধবার আবার ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হলো।
দাম কমার আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। বুধবারের নতুন দর অনুযায়ী, দুই দিনের ব্যবধানে সেই দাম আবার ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায় উঠেছে।
দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি এক দফায় ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এরপর বিভিন্ন সময়ে সোনার দাম কমা-বাড়ার মধ্য দিয়ে গেছে। কখনো প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার নিচে নেমেছে, আবার পরে বেড়েছে। ফলে চলতি বছর দেশের সোনার বাজারে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গেছে।
বিশ্ববাজারে কয়েক দিন ধরে সোনার দাম কমার পর বুধবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল প্রায় ৪ হাজার ১৭০ ডলার। ওই দিন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আগের তুলনায় প্রায় ২২ ডলার বেড়েছিল।
তবে সাম্প্রতিক এক মাস ও ছয় মাসের হিসাব করলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের ওঠানামা হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে সুদের হার, বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে সোনার দামের অন্যতম প্রভাবক হিসেবে দেখা হয়।