রাজনীতি

মুক্তিযুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ও জিয়া পরিবারের ত্যাগের ইতিহাস

বিশেষ প্রতিবেদক : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস যেমন রণাঙ্গনের বীরত্বের, তেমনি অন্দরমহলের অসীম ত্যাগেরও। মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে যখন মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন, তখন থেকে শুরু হয় বেগম খালেদা জিয়ার এক ভিন্নতর যুদ্ধ। নিজের নিরাপত্তা ও দুই শিশু সন্তানের জীবন তুচ্ছ করে তিনি যেভাবে স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করেছেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য।

অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অস্ত্র যাতে পাকিস্তানি সেনারা কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য জিয়াউর রহমানের অনুপস্থিতিতে তাঁর বাসায় আসা হাবিলদারকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। তাঁর সেই একরোখা নির্দেশে রক্ষা পেয়েছিল ১ হাজার ১০০ দেশপ্রেমিক সেনার প্রাণ, যা পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে শক্তি যুগিয়েছিল।

মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে ১৬ মে পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। দুই বছরের শিশু আরাফাত রহমান কোকো ও বড় ছেলে তারেক রহমানকে নিয়ে বোরকা পরে, বিকল্প পথে পাকিস্তানি সেনাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাঁর এই যাত্রা ছিল চরম ঝুঁকিপূর্ণ। ২ জুলাই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি নিজের অবস্থান গোপন রেখে জিয়াউর রহমানের যুদ্ধযাত্রাকে নিরবচ্ছিন্ন রেখেছিলেন।

গ্রেফতারের পর ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জিয়াউর রহমানকে আত্মসমর্পণের হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান আর্মি। কিন্তু সেই হুমকিতে নতি স্বীকার করেনি জিয়া পরিবার। স্বাধীনতার সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত তিনি দুই সন্তানসহ অবরুদ্ধ জীবন কাটান।

১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ও স্মৃতিরক্ষায় বৈপ্লবিক সব পদক্ষেপ নেন:

২০০১ সালে প্রথম এই মন্ত্রণালয় গঠন করেন তিনি।

১৯৯৫ সালে বীরপ্রতীক তারামন বিবিকে খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় পদক তুলে দেন।

রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ এবং বীরশ্রেষ্ঠদের কবর সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন।

২০০৬ সালে পাকিস্তান থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের দেহাবশেষ ফিরিয়ে এনে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করেন।

Related News

বন্ধ ও অলাভজনক সরকারি কারখানায় বিনিয়োগ টানতে রোড শো করবে সরকার

রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আন্তর্জাতিক রোড শো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বৈঠক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধের জলাবদ্ধতা নিরসন সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। দুই সপ্তাহের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনকে প্রকল্প হস্তান্তরের নির্দেশ। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক শব্দমিছিলে।

স্থানীয় সরকার বিভাগে ১৭ বছরের দুর্নীতি খুঁজবে ৭ সদস্যের কমিটি

স্থানীয় সরকার বিভাগে ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরের অনিয়ম ও দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন। ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ। বিস্তারিত জানুন দৈনিক শব্দমিছিলে।

ফাইলে সই নেই আসিফ মাহমুদের : প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, ওপেন চ্যালেঞ্জ আসিফের

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সচিবের স্বাক্ষর ছাড়া ফাইল পাসের অভিযোগ তুলেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি মন্ত্রী মির্জা ফখরুলকেও ফাইল প্রকাশের ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক শব্দমিছিলে।

তীব্র সমালোচনার মুখে মৌলভীবাজার, ফেনী ও পঞ্চগড়ের এসপি প্রত্যাহার

নিয়োগের ১০ দিনের মাথায় মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল ইসলাম প্রত্যাহার। সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনার মুখে ফেনী ও পঞ্চগড়ের এসপিকেও সরাল পুলিশ সদর দপ্তর।

সংসদ ও রাজপথে একযোগে আন্দোলন চলবে: রাজশাহীতে শফিকুর রহমান

রাজশাহীর ১১-দলীয় সমাবেশে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের বক্তব্য। ১৬ অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি।

ব্যাংকিং খাতে বড় ঋণের পথ প্রশস্ত: অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে স্বস্তি নাকি দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি?

বাংলাদেশ ব্যাংকের একক ঋণগ্রহীতা সীমা শিথিল করার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি দেশের ব্যাংকিং খাত এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঋণসীমা ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে…

ইশতেহার থেকে বাস্তবতা: তারেক রহমানের নতুন সংগ্রামের ডাক ও আগামীর বাংলাদেশ

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করা কেবল একটি যাত্রার শুরু, গন্তব্য নয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে…

Search