অর্থনীতি: মার্কিন ডলারের দরপতনের জেরে বিশ্ববাজারে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। একই সঙ্গে মার্কিন মূল্যস্ফীতির আসন্ন তথ্যের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছেন বিনিয়োগকারীরা। এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হবে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হারের পরবর্তী রূপরেখা এবং স্বর্ণের বাজারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ৪টা ১৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৪ দশমিক ২৮ ডলারে। তবে এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর সরবরাহের স্বর্ণের ফিউচার দর সামান্য কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৫৭ দশমিক ২০ ডলারে নেমে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান প্রকাশিত হওয়ার পরই স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
বিশ্ববাজারের বিপরীত চিত্রে দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ১০৮ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ভ্যাটসহ এই মানের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর একই মানের স্বর্ণের ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল। অর্থাৎ, মাত্র দুই দফায় মোট ৩ হাজার ৩২৪ টাকা দাম কমল। এই নতুন দর গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
স্বর্ণের নতুন নির্ধারিত দাম (ভ্যাটসহ):
২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা।
১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা।
সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।
এদিকে, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।