রূপগঞ্জে ৪.০ মাত্রার ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান
সোমবার রাত ৯টা ২৯ মিনিটে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এর উৎপত্তিস্থল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এবং মাত্রা ৪.০।
দেশীয় প্রজাতির মাছের মুক্ত প্রজনন, বংশবৃদ্ধি ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে পঞ্চগড় সদর উপজেলায় অবৈধ কারেন্ট জাল বিরোধী এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ সোমবার (২২ জুন, ২০২৬) বিকেলে উপজেলার টুনিরহাট এলাকায় এই ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে ওই বাজারের তিনটি পৃথক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৬৫টি নিষিদ্ধ ও ক্ষতিকর অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জব্দকৃত এসব জাল স্থানীয় সর্বসাধারণের সম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ধ্বংসকৃত কারেন্ট জালগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা।
আদালত ও স্থানীয় মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আলীর নেতৃত্বে আজ বিকেলে টুনিরহাট বাজারে এই মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল মজুত ও বিক্রির অকাট্য অপরাধে টুনিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মাহবুব আলমকে ৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়। একই সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের আরও দুটি জাল বিক্রির দোকানের মালিক দোকান ফেলে কৌশলে পালিয়ে যান। তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা ওই দুটি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল উদ্ধার করতে সক্ষম হন এবং মালিকদের না পেয়ে কেবল দোকানে থাকা অবৈধ কারেন্ট জালগুলো দাপ্তরিকভাবে জব্দ করেন।
অভিযান শেষে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিমেল চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে বলেন, “জাতীয় সম্পদ ও দেশীয় মাছ রক্ষার্থে ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০’-এর সুনির্দিষ্ট ধারার আওতায় আজ এই বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ১৬৫টি ক্ষতিকারক কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। আইন অনুযায়ী এগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, বর্ষা মৌসুমে দেশীয় মাছের অবাধ প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কারেন্ট জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং এই ধরনের আইনগত ও সচেতনতামূলক অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত জারি থাকবে। অভিযানে মৎস্য কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।