হরমুজ প্রণালিতে আরও মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি আইআরজিসির
হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমায় আরও একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের আইআরজিসি। মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা।
আন্তর্জাতিক: যুক্তরাজ্যে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মাথায় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সন্তানদের স্কুল পরিবর্তন করেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ২০২০ সালে রাজপরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর যুক্তরাজ্য ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় থিতু হলেও সম্প্রতি দুই সন্তানকে নিয়ে তারা আবারও যুক্তরাজ্যে ফিরে এসেছেন।
‘হ্যালো!’ সাময়িকীর প্রতিবেদনে প্রকাশ, যুক্তরাজ্যে ফেরার পর হ্যারি ও মেগান তাঁদের সাত বছর বয়সী ছেলে প্রিন্স আর্চি ও পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে প্রিন্সেস লিলিবেটকে যুক্তরাজ্যের তারকাখ্যাত ও জনপ্রিয় এলাকা কটসওল্ডসের একটি বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করেছিলেন। তবে স্কুলটির দূরত্ব এবং যাতায়াতের পথে অতিরিক্ত যানজটের কারণে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর প্রিন্স হ্যারি ও মেগানের মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, “পরিবারের বর্তমান ব্যবস্থাপনার বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করে এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সন্তানদের স্কুল বদলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তবে এ বিষয়ে এএফপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও হ্যারির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সময় থেকেই যুক্তরাজ্যের করদাতাদের অর্থে নিজস্ব পরিবারের জন্য পুলিশের নিরাপত্তা বহাল রাখতে দীর্ঘ আইনি লড়াই চালিয়েছিলেন প্রিন্স হ্যারি, যদিও তাতে তিনি সফল হননি। বর্তমানে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীরাই তাঁদের সুরক্ষা দিয়ে আসছেন। তবে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসার পর হ্যারি ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তায় আবারও সরকারি পুলিশ বাহিনীকে যুক্ত করার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছেন।
ব্রিটিশ রাজপরিবার ও ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সরকারি কমিটি ‘র্যাভেক’ (Ravec) গত সপ্তাহে হ্যারির পরিবারের নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে বৈঠক করেছে এবং বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। এদিকে রাজা তৃতীয় চার্লস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, হ্যারি ও মেগানকে রাজপরিবারের ‘দায়িত্বরত সদস্য’ বা ওয়ার্কিং রয়্যাল হিসেবে আর বিবেচনা করা হবে না। সব মিলিয়ে হ্যারির যুক্তরাজ্যে প্রত্যাবর্তন এবং সরকারি নিরাপত্তা পাওয়ার বিষয়টি বর্তমানে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।