পুলিশি ব্যবস্থায় অনাস্থা।
জেনজির আন্দোলনের চাবি কাঠি।
।।ডেস্ক রিপোর্ট।।
ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা, প্রতিটি স্বাধীন দেশ। কিন্তু প্রশাসনিক কাঠামো গত দিক দিয়ে এদের রয়েছে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক।
জন প্রশাসনিক কাঠামো ও পুলিশি ব্যবস্থায় এরা একই উপনিবেশের উত্তরাধিকার।
দমন মূলক পুলিশি ব্যবস্থা ছিল শাসকদের অন্যতম হাতিয়ার।
শ্রীলঙ্কার পর বাংলাদেশ ও নেপালে জেন জি আন্দোলনের উত্তাল ঢেউ ঔপনিবেশিক পুলিশি ব্যবস্থায় বিশাল ফাটল তৈরি করেছে।
কোন চেইন অব কমান্ড আর কাজ করছে না। ঔপনিবেশিক পুলিশ জেন জিদের কথা বলার অধিকার হরণে পুরোপুরি ব্যর্থ।
এখন ভারতের পালা। ভারতে ,পুলিশের উপর সরকার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছে। তারা নিজের সন্তানদের প্রতি লাঠি, গ্যাস গুলি চালাতে অস্বীকার করেছে।
মোদী,যে কোন সময় পালিয়ে যাবে বলে প্রতিতি হয়। বর্ষা কালীন অধিবেশনে মোদী আর অমিত শাহ উদ্বোধনী অধিবেশনের পর আর এক দিন ও আসে নি ।
এটাতে ধরে নেয়া যায়, বিজেপির অভ্যন্তরে বেশ বড় সড় হজবরল দেখা দিয়েছে।
উপমহাদেশে পুলিশি ব্যাবস্থার সংস্কার নিয়ে এখনি ভাবতে হবে। কিন্তু ২৪ এর বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে কোন অগ্ৰগতি অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যার্থ হয়েছে। বিএনপি যদি ভেবে থাকে দমন মূলক পুলিশি ব্যবস্থা তাদের রক্ষা করবে, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।
নেপাল খানিকটা হলেও অগ্ৰগতি অর্জন করেছে। শ্রীলঙ্কা আগে থেকেই অনেক উন্নত অবস্থায় ছিল।
এখন মোদীকে বুঝতে হবে পুলিশ তাকে আর রক্ষা করতে পারবে না।
বাংলাদেশের মত অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় ভারত সামরিক বাহিনী নামাতে পারবে না।
বাকি থাকে রিজার্ভ ফোর্স, বিএসএফ। এরা মোদী রক্ষায় সন্তানের বুকে গুলি করবে কি না সন্দেহ আছে।
এটা নক্সাল আন্দোলন দমন নয়। গন আন্দোলনের ঢেউ থামানো বড় বেশি কঠিন।
গন হত্যাকারী, গুজরাটের কসাই মোদী বিষয়টি বুঝতে শুরু করেছে বলে ধারণা।
পাকিস্তানে ‘৪৭ উত্তর সময়ে কখনো গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা স্থিত হয় নি। সামরিক শাসনে শাষিত হয়েছে ওরা। তবে এবার জেন জিদের হাতে এদের ও পতন হবে বলে বিশ্বাস।
ভারতের মোদী পতনের পর, উপমহাদেশে পুলিশি ব্যাবস্থার সংস্কার নিয়ে সমন্মীত কাঠামো গড়তে সবগুলো দেশকে পারস্পারিক সহযোগিতায় জন বান্ধব পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এক যোগে কাজ করতে হবে। বিচ্ছিন্ন ভাবে আগালে কজে গলতি থেকে যাবে।
লেখক: মাহফুজুর রহমান সৈকত
সাবেক সিনিয়র উপপ্রধান
তথ্য অধিদপ্তর।