নওগাঁয় দুই দিন পর অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক
চালককে মারধরের জেরে দুই দিন বন্ধ থাকার পর প্রশাসনের আশ্বাসে নওগাঁর অভ্যন্তরীণ সব রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার ওপর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই হামলায় এনসিপি নেতার মাথা ফেটে যাওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের বক্তাবলী বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এনসিপির প্রচার উপকমিটির সম্পাদক সোনিয়া আক্তার লুবনা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় বক্তাবলী বাজার এলাকায় স্থানীয় এক নেতার বাড়িতে এনসিপির একটি সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এনসিপির নেতারা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে বাজারে আসেন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন এনসিপির নেতাকর্মীদের কাছে বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন। এরপর এনসিপির নেতারা এই অবৈধ মাটি কাটার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন। অভিযোগ রয়েছে, এই প্রতিবাদ করার জেরে দেশি অস্ত্র নিয়ে স্থানীয় বিএনপির একদল নেতাকর্মী তাঁদের ওপর চড়াও হন এবং হামলা চালান। হামলায় এনসিপির জেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তাওহীদ গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এনসিপির পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে বলা হয়, বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে তাঁর ছোট ভাই ইয়াসিন ও তাঁদের অনুসারীরা এই হামলায় সরাসরি অংশ নেন।
তবে এনসিপির আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হালিম আজাদ। তিনি বলেন, “এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় কিছু লোকজনের ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে আমি শুনেছি। সেখানে তাওহীদ আহত হয়েছেন বলেও জেনেছি। কিন্তু এই ঘটনার সঙ্গে আমি কিংবা আমাদের দলের কেউ কোনোভাবেই জড়িত নই। কার সঙ্গে বা কেন ঝগড়া হয়েছে, তাও আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।”
ঘটনার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) শামীম হোসেন জানান, এনসিপি নেতার ওপর হামলার খবরটি তাঁরা পেয়েছেন। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।