ঢাকা: কৃষি উৎপাদনে সারের সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে চার প্রধান সারের ডিলার পর্যায়ে কমিশন বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি—এই চার ধরনের সারের ক্ষেত্রেই ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজিতে কমিশন বাড়িয়ে ৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কৃষকদের জন্য সারের খুচরা বিক্রয়মূল্য সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চার ধরনের সারের ক্ষেত্রেই ডিলার পর্যায়ে সরকারের নির্ধারিত পাইকারি দাম প্রতি কেজিতে ১ টাকা করে কমানো হয়েছে। এর ফলে এবং কৃষকদের জন্য দাম অপরিবর্তিত থাকায় ডিলারদের প্রতি কেজিতে মোট কমিশন দাঁড়াবে ৩ টাকা। সারের নতুন বিন্যাসটি নিম্নরূপ:
ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে। তবে কৃষক পর্যায়ে এর খুচরা মূল্য আগের মতো প্রতি কেজি ২৭ টাকাই বহাল থাকছে।
ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ১৯ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ টাকা করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এর দাম ২১ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৪ টাকা করা হয়েছে এবং কৃষক পর্যায়ে এর মূল্য আগের মতো ২৭ টাকা রাখা হয়েছে।
ডিলার পর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭ টাকা করা হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে এর বিক্রয়মূল্য আগের মতো প্রতি কেজি ২০ টাকাই থাকছে।
সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কৃষকদের সারের জন্য কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে না। কৃষকরা তাদের পূর্বের নির্ধারিত বিদ্যমান মূল্যেই ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার ক্রয় করতে পারবেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।