মার্কিন নিরাপত্তার সুযোগে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের বিশাল প্রভাব, বেইজিংমুখী বিশ্ব নেতারা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নিরাপত্তার সুযোগ নিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়াচ্ছে চীন। বিশ্বনেতাদের বেইজিং সফর নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন ডেইলি শব্দমিছিলে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ইরান কেন্দ্রিক উত্তেজনায় বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা যখন আলোচনার তুঙ্গে, তখন চীনের কৌশলগত নীরবতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। যুক্তরাষ্ট্রের জায়গায় নিজেকে নিরাপত্তার প্রধান অভিভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে গেলে বেইজিংকে যে বিশাল সামরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে হতো, তা দেশটির দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে সামরিক সংঘাত এড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের যে কৌশল চীন নিয়েছে, তা তাদের জন্য কম খরচে বিপুল লাভ এনে দিচ্ছে।
সংঘাতময় নিরাপত্তা খাতের পরিবর্তে চীনা কৌশলবিদরা নজর দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক কাঠামো শক্ত করার দিকে। মূল লক্ষ্য একটাই—নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন যতটা অপরিহার্য, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংকে ততটাই গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা।
ইতোমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো ও প্রধান বন্দরগুলোতে বিশাল অংশীদারত্ব গড়ে তুলেছে চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বন্দরের সিএসপি আবুধাবি টার্মিনালে চীনা কোম্পানি ‘সিওএসসিও শিপিং পোর্টস’-এর নিয়ন্ত্রণকারী মালিকানা এর একটি বড় উদাহরণ।
শুধু বন্দর অবকাঠামোই নয়; নবায়নযোগ্য জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, উন্নত ম্যানুফ্যাকচারিং, লজিস্টিকস, ইলেকট্রিক যানবাহন ও ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো উদীয়মান খাতগুলোতেও দ্রুত অবস্থান শক্ত করছে বেইজিং। অর্থনীতিবিদদের মতে, সামরিক উপস্থিতি সাময়িক হলেও অবকাঠামোগত বিনিয়োগ দীর্ঘস্থায়ী।
যুদ্ধজাহাজ বা সৈন্য সহজেই বন্দর ছেড়ে চলে যেতে পারে, কিন্তু বন্দর, টেলিকম নেটওয়ার্ক ও সরবরাহ শৃঙ্খলে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক স্বার্থ চাইলেই ছেঁটে ফেলা সম্ভব নয়। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে পুরোপুরি চীনপন্থী না বানিয়েও অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা তৈরির মাধ্যমে নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান সুরক্ষিত রাখছে চীন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নিরাপত্তার সুযোগ নিয়ে নিজেদের অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়াচ্ছে চীন। বিশ্বনেতাদের বেইজিং সফর নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন ডেইলি শব্দমিছিলে।
রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে পাস হলো নতুন নিষেধাজ্ঞা বিল। ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর ভারত ও চীনের মতো ক্রেতা দেশগুলোও পড়তে পারে শুল্কের মুখে। বিস্তারিত পড়ুন ডেইলি শব্দমিছিলে।
হুতিদের টানা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিপর্যস্ত সৌদি আরব। প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের সংকট মেটাতে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তানের দ্বারস্থ হয়েছে রিয়াদ। বিস্তারিত পড়ুন ডেইলি শব্দমিছিলে।
ইরানের মিনাবের স্কুল ও লামার্দের ক্রীড়া স্থাপনায় ফেব্রুয়ারির মার্কিন হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করেছে এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের তথ্য অনুসন্ধানী মিশন।
অবৈধভাবে দখলকৃত ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত চীন-পাকিস্তান যৌথ সীমান্ত কমিশনকে সম্পূর্ণ বেআইনি ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত।
ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গুরুতর অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তির যে দাবি ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
দূতাবাস চালু এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো।
