২২৮ বছরের পুরোনো লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ ‘রুলস’, যেখানে অতিথি হয়েছিলেন ডিকেন্স থেকে ম্যাডোনা
লন্ডনের সবচেয়ে পুরোনো রেস্তোরাঁ ‘রুলস’-এর ২২৮ বছরের ইতিহাস, যেখানে চার্লস ডিকেন্স ও ম্যাডোনার মতো তারকারা এসেছিলেন। জেমস বন্ড সিনেমাতেও এটি দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের নাম পরিবর্তন করে ‘নিউ আমেরিকা’ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে নিউ মেক্সিকোর একটি ম্যাপ পোস্ট করেন তিনি, যেখানে ‘মেক্সিকো’ নামটি লাল দাগ দিয়ে কেটে নিচে ‘আমেরিকা’ লিখে দেওয়া হয়। হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকেও পোস্টটি শেয়ার করা হলেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে গত মাসের শেষ দিকে লেক অন্টারিওর নাম পরিবর্তন করে ‘লেক আমেরিকা’ রাখার নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। এমনকি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ‘গালফ অব আমেরিকা’ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের নাম পরিবর্তনের ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।
আইন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে জিওগ্রাফিক নেমস ইনফরমেশন সিস্টেমে (জিএনআইএস) থাকা বিভিন্ন জলাশয় বা ভৌগোলিক স্থানের নাম পরিবর্তনের ক্ষমতা থাকলেও কোনো অঙ্গরাজ্যের নাম এককভাবে পরিবর্তন করার সাংবিধানিক বা আইনি ক্ষমতা তাঁর নেই। অঙ্গরাজ্যের নাম বদলাতে হলে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যের অভ্যন্তরীণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নিউ মেক্সিকোর ডেমোক্র্যাট গভর্নর মিশেল লুজান গ্রিশাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি অভিযোগ করেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিপর্যয়কর যুদ্ধ’ ও বেড়েই চলা গ্যাসের দাম থেকে মার্কিন নাগরিকদের মনোযোগ সরানোর জন্যই ট্রাম্প এসব কাণ্ড করছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নিউ মেক্সিকোর নাম নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।
নিউ মেক্সিকোর ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্টিন হেইনরিখও ট্রাম্পের এই উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়ে এক্সে লিখেছেন, তিনি মেক্সিকো উপসাগর, লেক অন্টারিও এবং নিউ মেক্সিকোকে বরাবরই তাদের প্রকৃত নামেই ডাকবেন। উল্লেখ্য, দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠারও আগে ষোড়শ শতাব্দী থেকে নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের নামের ইতিহাস চলে আসছে। কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ এবং বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের এমন ভৌগোলিক নাম পরিবর্তনের খোঁচা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।।