সংসদীয় কমিটির সভাপতি হলেন হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সরকারদলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
ঢাকা: দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক চেষ্টা, মন-মানসিকতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের তীব্র প্রশংসা করে জাতীয় সংসদে বক্তব্য রেখেছেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা। প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম ও পরিশ্রম দেখে তাঁরা নিজেরাও অনুপ্রাণিত হন বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাধারা ও বার্তা যেন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সঠিকভাবে পৌঁছে, সে বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান এই সংসদ সদস্য।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে এমপি হানজালা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জিজ্ঞাসা করতে চাই—তিনি যেভাবে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁর যে মন-মানসিকতা, বিগত দিনে আমরা সে জিনিসগুলো কখনোই দেখতে পাইনি। তাঁর এই যে চেষ্টা, মেহনত ও দেশের প্রতি ভালোবাসা, এতে আমরা নিজেরাও বেশ অনুপ্রাণিত হই।”
প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাধারা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “আপনার মধ্যের সেই চিন্তাধারাটা তৃণমূল পর্যন্ত অনেকেই হয়তো ধারণ করতে পারেননি। এজন্য অনেক অন্যায়-অবিচার হয়তো হয়ে থাকে। আপনার এই চিন্তাধারা ও ম্যাসেজটি যেন তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছায়, এক্ষেত্রে আপনি কী করতে পারেন?”
সংসদ সদস্যের বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালার প্রশ্নটি তাঁর কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নোটিশ দিলে তিনি বিস্তারিতভাবে উত্তর দিতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান।
তবে সরকারের দেশ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের এই দেশকে পুনর্গঠনের যে পরিকল্পনা, এই পরিকল্পনাগুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরেছিল। সরকার গঠনের পরে যেহেতু দেশ পরিচালনার সুযোগ মহান আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন, ফলে আরও বেশি তথ্য পাওয়ার কারণে আমরা আমাদের সেই পরিকল্পনাগুলোকে আরও বিস্তারিতভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ পেয়েছি।”
প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, একটি দেশে কোনো দীর্ঘমেয়াদি ও বিশদ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে গেলে কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়। সরকার যখন এই কাজগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন শুরু করবে, তখন দেশের সব স্তরের মানুষই তা জানতে পারবেন।